তাসফিয়ার ছোট গল্প

   

 তাসফিয়ার ছোট গল্প


লেখক পরিচিতঃ এই ছোট গল্পটি লিখেছেন "তাসফিয়া তাবাসসুম" এটা আসলে গল্প নয় ছোট বোন তার বড় বোনের সম্পর্কে লিখেছে তার বোন কি করে না করে সারাদিনের কাজ সে কেমন। এক কথায় তার বোনের দৈনিক কার্যক্রম নিয়ে ছোট্ট একটি গল্প রচনা করেছে।রচনাটা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।এবার আসি এই ক্ষুদ্র লেখকের পরিচয় পর্বে।লেখক তাসফিয়া তাবাসসুম।বাবা মায়ের আদরের ছোট কন্যা। সে সবেমাত্র ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে লেখা পড়া করে।তার স্বপ্ন সে ভালোভাবে লেখাপড়া করে বড় হয়ে ডাঃ হবে।সে তো বলেছে ডাঃ হবে তো ডাঃ হওয়ার আগেই সে Human Scientist হয়ে গেছে।তার প্রমান এই রচনা। ঠিক আছে তাহলে এবার তার রচনাটি দেখি

                                                       তামান্না

আমি গবেষণা করি তামান্না কে নিয়ে আমার চিন্তা ভাবনা সব সময় থাকে তামান্না কে নিয়ে।সে সারাদিন কি করে না করে কি খাই না খাই কেমন লেখা পড়া করে না করে ইত্যাদি বিষয়।আমার একটি website আছে

যার নাম (www.tamanna.bd.com)আমার একটা Tik tok account আছে যার নাম ( Tamanna Jakanaka)
আমার লেখা একটি বিখ্যাত ছোট গল্প আছে।যাকে নিয়ে আমার এই গল্প লেখা তার নাম ( Tamanna Tabassum Bably )

আমার লেখা একটি গান আছে গানটি হলোঃ তামান্না তামান্না তামান্না কে মারবো একটা চড় সে চড়ে তামান্না হয়ে যাবে ফুটবল। সে ফুটবল নিয়ে খেলবে তামান্নার বর।ও তামান্ন তামান্না    

 

v        আমি এখন তামান্না কে নিয়ে একটি রচনা লেখা শুরু করলাম       


 

         Tamanna Tabassum Bably

 

 ভূমিকাঃ  তামান্না মেয়েটি খুবই শান্ত শিষ্ট নম্র,ভদ্র লেজ বিশিষ্ট অবশিষ্টের বৈশিষ্ট্য একটা মানুষ।মাথায় সব সময় যেন রাগ থাকে।আমার সাথে সারাক্ষণ ঝগড়া করে।আর ঝগড়া করার কারণ আছে তার একটু বুদ্ধি কম।কিন্তু মেয়েটি অনেক ভালো যুগের মেয়েদের তুলনায় সে অনেক ভালো

 

জন্ম বর্তমান ঠিকানাঃ  তামান্নার জন্ম ২০০১ সালের ১লা জুলাই।সে জন্ম গ্রহন করে বাংলাদেশের যোশর জেলার বাগচড়া উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের খেসলানগর ছোট্ট একটি গ্রামে।তামান্না বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া গ্রামে বসবাসরত আছে।

 

পরিবারঃ  তামান্না আব্বুর নাম "জামাল উদ্দীন (বাবলু) এবং মায়ের নাম " সায়রা খাতুন (বলী)তামান্নার একটি মাত্র বোন আছে তার নাম "তসফিয়া তাবাসসুম।তামান্নার কোনো ভাই নেই।এজন্য তার ভীষন দুঃখ।তামান্নার দুটি চাচা চারটি ফুফু আছে।তামান্নার চাচাতো ভাই বোন ছয় জন।তামান্নাদের পুরাতন বাড়ি অর্থাৎ দাদু বাড়ি কলিমাখী

 

বয়স লেখা পড়াঃ  তামান্নার বয়স বর্তমানে ২১ বছর।সে এখন Honours 1st year লেখা পড়া করে।তামান্নার Subject "দর্শন" সে লেখা পড়া করে না সবসময় ফোন দেখে।

 

তামন্না যেমন দেখতেঃ  তামান্না দেখতে লম্বা, পরিষ্কার চিকন।তামান্নার ভ্রু খুবই সুন্দর জোড়া ভ্রু। চোখদুইটা অনেক সুন্দর এবং ঠোট টা একটু মোটা।তামান্না ৫ফুট ইঞ্চি লম্বা।তামান্নার রক্তের গ্রুপ B+

 

তামান্নার সারাটাদিনঃ তামান্না  সারাদিন খাই আর ঘুমায় কোনো কাজ করে না আর সারাদিন ফোন দেখে।সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে।উঠে ব্রাশ করে ভাত খাই। ভাত খেয়ে ফোন দেখে তারপর গোসল করে এসে নামাজ পড়ে নামাজ পড়ে ভাত খাই ভাতখেয় আবার ফোন দেখে

 


উপসংহারঃ এতক্ষণ যে তামান্না কে নিয়ে রচনা করলাম আসলে সে আমার বড় বোন।আমি তাকে প্রতিনিয়ত দেখি আর

ওর মতো হওয়ার চেষ্টা করি।আমার কাছে আমার আপু সবার সেরা।আমি আমার আপুর মতো হতে চাই।আপু আমাকে খুব ভালোবাসে এবং আদর করে। সে আমাকে আদর করে তাসফি নামে ডাকে।কিন্তু আমি ওকে খুব বিরক্ত করি এবং দুষ্টামি করি ওর সাথে।আমার আপু কে আমার খুবই ভালো লাগে।আপু আমি তোমাকে খুব খুব ভালোবাসি।

 

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

আমার প্রিয় কাঠগোলাপ